বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য || Buddhism

বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য || Buddhism

Buddhism

বৌদ্ধ ধর্ম

• বৈদিক যুগের শেষের দিকে জাতিভেদ প্রথা, সামাজিক বৈষম্য ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদী আন্দোলন গড়ে ওঠে।

• এই সময় ভারতবর্ষে ৬৩ টি ধর্মমতের উদ্ভব হয়েছিল তার মধ্যে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম ছিল বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

• ৫৬৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে হিমালয়ের পাদদেশীয় নেপালের তরাই অঞ্চলের কপিলাবস্তু নগরের লুম্বিনী উদ্যানে গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতার নাম শুদ্ধোধন ও মাতা মায়াদেবী।

• গৌতম বুদ্ধের পিতৃদত্ত নাম বা জন্মনাম ছিল সিদ্ধার্থ। জন্মের ৭ দিন পরেই তিনি মাতৃহীন হলে, তার বিমাতা গৌতমি তাকে লালন-পালন করতে থাকেন, এইজন্যই পরবর্তীকালে তার নাম হয় গৌতম।

গৌতম বুদ্ধের স্ত্রীর নাম ছিল যশোধরা/গোপা।

• মাএ ১৬ বছর বয়সে যশোধরা বা গোপা নামে এক কুমারীর সাথে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়।

• পরবর্তীতে ২৯ বছর বয়সে স্ত্রী যশোধরা বা গোপা ও নবজাতক পুত্র রাহুলের মায়া ত্যাগ করে এক গভীর রাতে গৃহত্যাগ করেন। বৌদ্ধশাস্ত্রে এই ঘটনা মহাভিনিস্ক্রমণ নামে খ্যাত।

• গৌতম বুদ্ধ যে গাছের তলায় বসে নির্বাণ লাভ করে ছিলেন পরবর্তীতে তার নাম হয় বুদ্ধগয়া

• গৌতম বুদ্ধ ৩৫ বছর বয়সে বোধি বা দিব্যজ্ঞান লাভ করে।

• বোধি বা দিব্যজ্ঞান লাভের পর তার নাম হয় তথাগত। যিনি পরম জ্ঞানের সন্ধান পেয়েছেন।

• তিনি যে গাছের তলায় বুদ্ধত্ব লাভ করেন তার নাম হয় বোধিবৃক্ষ। সেই স্থানটির পরবর্তীতে নামকরণ হয় বুদ্ধগয়া বা বোদগুয়া

• গৌতম বুদ্ধ উত্তর ভারতের বারাণসী শহরের কাছে সারনাথের মৃগদাবে বুদ্ধ তার পাঁচ জন সঙ্গীর সঙ্গে (পঞ্চভিক্ষু) প্রথম উপদেশ দানের মাধ্যমে ধর্মচক্র প্রবর্তন করেন।

• ৪৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মল্ল মহাজনদের কুশিনগরে (বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর জেলা) গৌতম বুদ্ধ দেহত্যাগ করেন-এই ঘটনা বৌদ্ধশাস্ত্রে মহাপরিনির্বাণ নামে পরিচিত।

• বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থসমূহ পালি ভাষায় লিখিত। বৌদ্ধদের প্রথম ধর্মগ্রন্থের নাম ত্রিপিটক (বিনয় পিটক, সূত্র পিটক, অভিধর্ম পিটক)। পৃথক শব্দের অর্থ হলো পাত্র বা ঝুড়ি।

• মগধরাজ অজাতশত্রু ও বুদ্ধ শিষ্যদের উদ্যোগে ৪৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মগধের রাজগৃহে প্রথম বৌদ্ধ সংগীতির আয়োজন করেন। প্রথম বৌদ্ধ সম্মেলনে গৌতম বুদ্ধের বাণী গুলি বিনয় পিটক, সূত্র পিটক ও অভিধর্ম পিটকে বিভক্ত করা হয়।

বরোবুদুর হল বিশ্বের বৃহত্তম বৌদ্ধ মন্দির, তথা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ স্মারক। এটি ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্যবাহী স্থান।

 আরও পড়ুন:- মেহেরগড় সভ্যতার ইতিহাস 

প্রতিদিন এই ধরনের পোস্ট পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ও টেলিগ্ৰাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান 

 

আরও পড়ুন:- বৈদিক যুগের ইতিহাস 

Leave a comment